স্বাস্থ্য ভালো রাখার সঠিক উপায়।

 "স্বাস্থ্যই সম্পদ" এ কথাটি আমরা সবাই জানি। স্বাভাবিক ভাবে আমরা যখন সুস্থ থাকি পৃথিবীর সব ভালো আনন্দ আমাদের মধুর উপভোগ্য বলে মনে হয়।  

বিপরীত ভাবে অসুস্থতার সময়ে যখন আমাদের শারীরিক ও মানসিক কোনো বিঘ্নতার কারণে হয়, এ সময় যেন সব পছন্দ অপছন্দের কারণ হয়ে যায়। চারপাশ বিষিয়ে ওঠে। সুতরাং, সুখময় জীবনের জন্য সুস্থতায় মূল বিষয়।

প্রিয় বন্ধুরা, আজকে আবার চলে এলাম, সুস্বাস্থ্য সম্পর্কে কথা বলতে। 
চল শুরু করা যাক, আগেও বলে সুখী জীবন গঠনের জন্য সুস্বাস্থ্য অবশ্য জুরুরি। হাজারো আনন্দ অট্টালিকায় সুস্বাস্থ্যের অভাব যেন সব কিছু পূর্ণহীন করে দেয়। 
প্রতিটি মানুষ স্বাস্থ্যের প্রতি কোনো না কোনোভাবে যত্মবান হয়।দিন শেষে সবাই সবার মতো স্বাস্থ্য চর্চা করে। 

আরও পড়ুন 

শীত মৌসুমে যেসব রোগের প্রভাব বেড়ে যায়। 
এজন্য আমরা আর একটু সহজে যেন স্বাস্থ্য নিয়ে সহনশীল হতে পারি, এরজন্য আরা ধাপে ধাপে আলোচনা করবো।

স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে যদি আমরা কিছু নিয়ম অনুসরণ করি তাহলে এতে আমাদের জন্য আরও সহজ হবে। 

মানব ফুসফুসে কেমন প্রভাব ফেলতে পারে "অমিক্রন। 


১.ভালো খাবারঃ

সুস্থতার জন্য ভালো খাবার গ্রহণ ১০০ শতাংশ প্রয়োজন। যেহেতু প্রসঙ্গ ভালো খাবারের সেহেতু তাতে পঁচা বাসি খাবারের প্রশ্নই আসে না। প্রতি সতেজ খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। প্রতি বেলায় অর্থাৎ সকাল,দুপুর রাত এ তিনটি সময়ে বিষয় করে বাংলাদেশের মানুষ ভারি খাবার খেয়ে থাকে, তাই প্রতি বেলায় সুষম খাদ্য খেতে হবে, আমাদের প্রত্যেকেই সুষম খাদ্য সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান রয়েছে, সুস্থতার জন্য সুষম খাদ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
যা গ্রহণ করার পর একজন সুস্থ মানুষ প্রয়োজন সকল উপাদান পেয়ে থাকে।কারণ একজন সুস্থ লোককর জন্য প্রতিদিন ৬০-৭০টি নিউট্রিশন প্রয়োজন হয়।যেগুলো সুষম খাদ্যের মধ্যে পাওয়া যায়। 
সুতরাং, সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রত্যেকে ভালো খাবার খেতে হবে। 
অন্যতায়, মানুষের পাকস্থলীতে মাইক্রোবায়োম নামক যে ব্যাকটেরিয়া রয়েছে তা স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। 

২.টাকার শাক-সবজি ফলমূলঃ

টাটকা সবুজ সতেজ শাক সবজি ও ফলমূল সুস্বাস্থ্য গঠনের অন্যতম। 
এটি দেহের ভিটামিনের যোগান দিতে সাহায্য করে, প্রাকৃতিকভাবে এতে ভিটামিন এর সকল উৎস পরিমাণ মতো রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। 
এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ৭০টি উপাদান যেগুলো খাদ্য পূরণ করতে পারে না। শাকসবজি ফলমূল তা পূরণ করে। 
সুস্থ থাকার জন্য অবশ্য শাকসবজি ফলমূল বেশি করে খেতে হবে। 

৩.পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান করাঃ

সুস্থ থাকার অবশ্য আমাদের পরিমাণ মতো বিশুদ্ধ পানি করতে হবে। শুধু পিপাসা ফেলে না, দেহের প্রয়োজনেও পানি পান করতে হবে। 
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৬/৭ গ্লাস আর শীত কালে তার কিছু কম পানি পান করতে হবে। 
পানি যেসব উপকার করেঃ
১.বদ হজম নিরাময় 
২.কোস্টকাটিন্য দূর করা
৩.মাথা ব্যাথ্যায়
৪.রক্ত পরিষ্কার করতে 
৫.শরীরে গ্লুকোজ তৈরিতে।
এজন্য আমাদের দৈনিক পানি পান করতে হবে। 

৪.পর্যাপ্ত ব্যায়াম ও ঘুমঃ




সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ও ব্যায়াম দুটোই দরকার। ব্যায়ামের সঙ্গে আমরা সকলে পরিচিত, কারণ বাঙালির দিন শুরু হয় ব্যায়ামের মাধ্যমে, আমরা বাঙালিরা পরিশ্রম করে জীবন যাপন করি।
ব্যায়াম বলতে, হাঁটা খেলাধুলা যা শারীরিক ব্যায়ামের অন্তভূক্ত,এগুলো ছাড়া আরও অনেক শরীর চর্চা ভিত্তিও কাজ আছে। এর সাথে আমাদের ঘুমের প্রয়োজন কমপক্ষে ৭/৮ ঘন্টা ও শিশুদের ক্ষত্রে ১২/১৫ ঘন্টা ঘুমানো উচিত। 
সুতরাং সুস্থ থাকার জন্য শরীর চর্চার পাশাপাশি ঘুমও প্রয়োজন। 

৫.পর্যাপ্ত আলো বাতাসঃ

দেহ ও মনের প্রশান্তির জন্যও খাদ্যের প্রয়োজন। যেমনটা আমরা আমাদের দেহের বিকাশের জন্য করে থাকি। 
মনের সমৃদ্ধির জন্য আলো ও বিশুদ্ধ বাতাস খুব প্রয়োজন। ভোরের নরম রোদ যা ভিটামিন ডি 'র উৎস এটি হাড়ের গঠনের জন্য কাজ করে। সকালের নরম হাওয়া যা মনকে প্রোমোদিত করে। 
আমাদের বাড়ি নির্মাণ করার ক্ষেত্রে আলো বাতাসের এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। 

৬.মনের আবেগ প্রকাশ করাঃ

এটিও সুস্বাস্থ্যে গঠনের জন্য অন্যতম একটা দিক কখনো মনের কুচিন্তাও সুস্থতার উপর প্রভাব ফেলে। 
তাই মনের শান্তির কথা বলতে হবে হাসতে হবে গাইতে হবে। এতে মন হালকা হবে সাথে চাঙা ভাব আসবে। এটাও সুস্থতার জন্য দরকার। 

৭.চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াঃ

সর্বপরি, সুস্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রেখে আমাদের চিকিৎসক এর নিকট যেতে হবে, কারণ সব সব নিয়ম কানুন মেনে চলার পরও কিছু কম থেকে যায়। এতে করে আমাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।তাই প্রয়োজন হলেই আমাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

প্রিয় বন্ধুরা আজকে এ পর্যন্ত, সবাই সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন। 

ধন্যবাদ 

 


Comments

Post a Comment