আজকে আবার চলে এলাম শীতের সময় সুস্থতা নিশ্চিত করতে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার তা নিয়ে কথা বলতে।
চলুন শুরু করা যাক।
ঋতু চক্রে শীত বাংলাদেশের পঞ্চম ঋতু
এসময় এ আবহাওয়ার কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। আর এ পরিবর্তনের সঙ্গে কিছু রোগের কারণ রয়েছে।
আগের ব্লগে আমরা শীত মৌসুমের বেশ কিছু রোগ নিয়ে কথা বলেছি,
শীত মৌসুমে যেসব রোগের প্রভাব বেড়ে যায়।
যেহেতু শীতকালে আবহাওয়া পরিবর্তন হয়ে থাকে। তাই এ পরিবর্তিত আবহাওয়া হুট করে মানুষের শরীরের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না। তাই,
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতে,
শীতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে হবে।
হাত মুখ ধোয়ার ক্ষেত্রেও গরম পানি ব্যবহার করতে হবে।
দৈহিক কাজকর্ম করার জন্য আমাদের শরীর অবশ্য সুস্থ রাখতে হবে, যার জন্য কিছু পদক্ষেপ মানা আমাদের অতীব জরুরি।
ধুলাবালি জনিত রোগঃ
যদি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বলি, ঘনবসতিপূর্ণ এদেশে শীতের শুষ্ক মৌসুমে স্বাভাবিকের তুলনায় অস্বাভাবিক ধুলাবালির দেখা যায়, এসময় বাতাসে মিলিয়ন মিলিয়ন ধূলিকণা ঘুরে বেড়ায়। যার প্রভাব সহজে বাইরে কর্মজীবী মানুষের উপর পড়ে।
এতে অনেকের দেহে তুলনা মূলক প্রভাব পড়তে দেখা যায়।
এসবের প্রতিকারঃ
১.ত্বকের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্রিম মলম ব্যবহার করতে হবে, ত্বকের নমনীয়তা ও কোমলতা ফিরিয়ে আনতে গ্লিসারিন ও ব্যবহার করা যায়।
২.শিশুদের ক্ষেত্রে, ধুলাবালি একেবারে এড়িয়ে যেতে হবে, প্রয়োজনে ঘরের দরজা বন্ধ রাখতে হবে।
৩.বাইরে বের হওয়ার সময় সাথে করে মাস্ক নিতে হবে, এটি ধুলাবালির থেকে আমাদের নাক ও মুখে রক্ষা করে। যার ফলে ধুলাবালি ফুসফুসে শ্বসন কাজে বাধা দিতে পারে না।
ঠান্ডা জনিত সমস্যাঃ
আরও পড়ুন
ঠান্ডা বলতে আমরা সর্দি কাশি জ্বর গলা ব্যাথ্যা ইনফ্লুয়েঞ্জা নিউমোনিয়া তারপর সাইনাসের প্রভাব ইত্যাদি রোগকে বুঝি,
বর্তমানে বহু অসংখ্যক ঠান্ডা জনিত রোগ যা অনেক ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
যদি, ডেঙ্গুর কথা বলি, আমরা জানতাম ডেঙ্গু বর্ষাকালীন রোগ, কিন্তু বর্তমানে এটি শীত মৌসুমেও দেখা যায়।
এসব সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে আমাদের যেসব পদক্ষেপ নিতে হবে।
১.শীত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে গরম কাপড় পড়তে হবে।
কান ও গলা ঢাকতে মাফলার ব্যবহার করতে হবে।
২.গোসলও কুসুম গরম পানি দিয়ে করতে হবে, পান করার ক্ষেত্রে হালকা গরম পানি পান করতে হবে।
৩. বাসি খাবার খাওয়া যাবে না।
৪.ঠান্ডা খাবার যেমন কোক, আইসক্রিম অথবা ফ্রিজাপ করা যেকোনো খাদ্য দ্রব্য না খাওয়া।
*সর্বপরি, শীত এড়িয়ে চলা।
শিশুদের ক্ষেত্রেও বিশেষ যত্ম নিতে হবে, কোনো ভাবে ঠান্ডা লাগানো যাবে না। গরম কাপড় পড়াতে হবে।
প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
আরও জানুন
ডায়াবেটিসঃ
বর্তমানে ডায়াবেটিস বাংলাদেশে একটি পরিচিত সমস্যা, যেকোনো পরিবারে কোনো না কোনো সদস্য এ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে
এর প্রতিকার বলতে এ রোগের নিয়ন্ত্রণকেই আমি suggest করব,
এজন্যই বলছি, কোনো ঔষুধের ভিত্তিতে এ রোগ দূর করা যায় না। একমাত্র নিয়ন্ত্রণই এর মূল।
এজন্য ডায়াবেটিস আক্রান্ত লোকেদের
অবশ্যই করণীয় দিক সমূহ মানতে হবে।
১.ভিটামিন 'সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
২.কলেস্টেরলের মাত্রা বেশি এমন খাবার খাওয়া যাবে না।
৩.অধিক পরিমাণে মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। চর্বি জাতীয় তৈলাক্ত খাবার কম খেতে হবে
৪.সুষম খাদ্য খেতে হবে, সাথে খাবারের মাপ ঠিক রেখে খেতে হবে।
৫.টাটকা ফলমূল ও শাকসবজি খেতে হবে।
৬.ধুমপান, ধোঁয়া, ধুলাবালি এড়িয়ে চলতে হবে।
৭.যদি উচ্চ রক্তচাপ থাকে তো তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সাথে হৃদস্পন্দন পালসরেট পরীক্ষা করতে হবে।
প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
সর্বমোট, নিজেকে, শিশুদের ও বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সহনশীল হতে হবে।
ধন্যবাদ এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য। আবার নতুন কোনো ব্লগ নিয়ে কথা বলে।
আতঙ্ক নয় নিজেকে সতর্ক রাখুন।
#STAY_SAFE
Comments
Post a Comment