করোনার নতুন একটি ভ্যারিয়েন্ট বা নতুন একটি রুপ ওমিক্রন। ইতিমধ্যে সারা পৃথিবী জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তার আগে যদি আর একটুখানি বলি, বিগত দিন গুলোতে মানুষ করোনা বিহীন সন্তোষজনক দিন পার করছিল
ঠিক এ মুহূর্তে, দেখা গেল গত ৯ই নভেম্বর শনাক্ত হয় করোনার এ নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন, মাত্র একমাসের মাথায় এটি জনজীবনে সৃষ্টি করে নতুন আতঙ্ক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা World Health Organization এ ভাইরাসটিকে উদ্বেগ জনক স্থান দিয়েছে, এরই ধারাবাহিকতাই বাংলাদেশেরও বর্তমান কোভিড অবস্থা অসন্তোষ জনক।ইতিমধ্যে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। সে বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করার আগে আমরা ওমিক্রন সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।
ওমিক্রন শঙ্কা
*স্পাইক প্রোটিন মানবদেহে ভাইরাস প্রবেশ করতে সহায়তা করে।
*ওমিক্রনের স্পাইক প্রোটিন বদলেছে অনন্ত ৩০ বার।
*এতে ১০টি মিউটিশন আছে, যা কোষে ঢুকতে পথ তৈরি করে।
**ওমিক্রনে আছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করার মতো শক্তি।
ওমিক্রন উপস্বর্গ
*চরম ক্লান্তি ভাব
*গলা ভাঙা
*পেশিতে মৃদু ব্যাথ্যা
*শুকনো কাশিঁ
দক্ষিণ আফ্রিকায় এ ভাইরাসটি শনাক্ত হওয়ার পর ইতিমধ্যে বহু দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
এখন জানব দেশে এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
১.আফ্রিকা থেকে কোনো ব্যক্তি এলে তাকে চৌদ্দ দিন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইন এ দিন যাপন করতে হবে।
শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা নয় পৃথিবীর যেকোনো দেশ থেকে এলে নিয়ম অনুযায়ী তাকে কোয়ারান্টাইন এ বাদ্যতামূলক থাকতে হবে।
২.জনগণকে টিকা vaccine এর আওতায় আনতে হবে। ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
ওমিক্রন ঠেকাতে পদক্ষেপ
১.আফ্রিকা বা যেকোনো দেশে ফেরত ব্যক্তিকে ১৪ দিন কোয়ারান্টাইন এ থাকতে হবে।
২.কোয়ারন্টাইন ব্যবস্থাপনায় সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত থাকবে।
৩.ষাটোর্ধ লোকেদের vaccination এর আওতায় আনা হবে।
৪.স্বাস্থ্য বিধি মানাতে চলবে ভ্রাম্যমান আদালত।
৫.স্কুল কলেজ চলবে চলতি নিয়মে।
৬.চালু হচ্ছে "no vaccine, no service."
বিঃদ্রঃ যেহেতু এখনো দেশে টিকা কার্যক্রম সম্পূর্ন করা হয়নি, তবে এখনো "নো ভ্যাকসিন নো সার্ভিস " পদক্ষেপটা চালু না হতে পারে।
উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট
*আলফা
*বেটা
*মাগা
*ডেলটা
*ওমিক্রন
★★★ ওমিক্রনের সকল তথ্য নিয়ে আবার ফিরে আসব আমরা।।।।।।
Comments
Post a Comment