বৃক্ষ

 প্রকৃতির এক অনন্য দান হলো গাছ বা বৃক্ষ।একটি বৃক্ষ মানুষের জীবনের সঙ্গে ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িয়ে আছে। মানুষ ছাড়াও সকল প্রাণী উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল, মানুষ তো তার প্রতিটি ক্ষেত্রে বৃক্ষের মাধ্যমে কোনো না কোনো কাজ করে থাকে। 

মানুষের জীবন জীবিকা, একথায় দৈহিক জীবনে আমরা বৃক্ষ নির্ভর। 

এছাড়াও জ্বালানি, নির্মাণ, ভেষজ প্রতিষেধক হিসেবে আমরা উদ্ভিদ ব্যবহার করি।
এবং,সত্যি বলতে আমরা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রয়োজনীয় বেশি হারে বৃক্ষ নিধন করছি।  
সভ্যতার সূচনালগ্নে কিন্তু প্রতিটি মানুষের নির্ভর যোগ্য স্থান ছিল বৃক্ষ, তাই সেসময়কার মানুষ উদ্ভিদের প্রতি এক অন্যরকম মমতা প্রকাশ করত।
বর্তমান,প্রযুক্তি নির্ভর এ পৃথিবীতে মানুষ যে উদাহরণ উপস্থাপন করছে, এটা সত্যি ভালো দিক নয়।মানুষ বিবেক বুদ্ধি সম্পুর্ণ জীব হয়ে এসব ইস্যু বিশেষ সৃষ্টি করছে। 
কেন, আমরা বুঝেও অহেতুক  এ অনৈতিক নীতি সৃষ্টি করছি।

"একটি গাছ কর্তনের কারণে মোরা কেন দশটা গাছ রোপণে প্রতি অবজ্ঞা করছি। 

মরা প্রতিদিন যে পরিমাণ অক্সিজেন বৃক্ষ থেকে গ্রহণ করি।যদি আমরা এর হিসাব করতাম আর প্রতিবার নিঃস্বাস এর পরিবর্তে যদি অর্থ গুনতে হত, তাহলে আমরা কি অবস্থায় স্বীকার হতাম।প্রকৃতির থেকে সহজে পাচ্ছি বলে, আজ এর কোনো মূল্য নাই। বৃক্ষ প্রাকৃতিক অক্সিজেন তৈরির কারখানা, আর আমরা  এ কারখানার নিতান্ত সাধারণ কিছু শ্রমিক। একজন মজুরের কাছে তার কর্মসংস্থান যত কাছের, এভাবে যদি আমরা বৃক্ষ নিয়ে কল্পনা করি,তবে কি আমাদের হাত কথা বলত না।আমাদের বিবেক আমাদের প্রশ্ন করিত না, তুই সামান্য একজন শ্রমিক হয়ে কারখানার এত বড় ক্ষতি করছিস ছিঃ!! ধিক্কার জানাই তোকে, ওরে তুই পশুর চেয়ে অধম, তুই তো নিজের কারখানার ক্ষতি করছিস না নিজের ক্ষতি করছিস।এখানে এটা সত্যি প্রমাণিত আমরা হয়তো সমসাময়িক উন্নতির করতে গিয়ে নিজের ক্ষতি  করছি।যখন আমরা দেখব পৃথিবার প্রান্তর জুড়ে মরুভূমির উদয় হচ্ছে। তখন হাহুতাশ করেও লাভ হবে। 

তাই, সময় থাকতে আমাদের প্রতিকার করতে হবে। 


 

Comments