শীত এর ইংরেজি প্রতিশব্দ "winter.ঋতু চক্রে বসন্তের আগে শীতের আগমন ঘটে। বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ,বাংলাদেশের প্রকৃতি যেন পৃথিবীর সম্পূর্ণ বৈচিত্র্য থেকে আলাদা। প্রকৃতির নিয়মে বাংলাদেশে বছরে ছয়টি ঋতু আসে,প্রতি দুই মাস পর পর একেকটি ঋতু আসে,সাথে নিয়ে আসে অনন্য ছোয়া। যা জনজীবনে এনে দেয় এক দারুণ স্পর্শ।তেমনি এক অনন্য বৈশিষ্ট্যময় সময় শীতকাল। শীতের প্রকৃতি হার কাঁপা ঠান্ডা সাথে উত্তুরে হাওয়ার নিয়ে কিছু অন্যরকম মুহূর্ত সৃষ্টি করে। তবে এসময় প্রকৃতি যেন আপন হাতে দান করে, টাটকা ভালো শাকসবজি ফলমূল মাছের সমারোহ এ সময় বেশি লক্ষ করা যায়। শীতকালে পাওয়া যায় সুস্বাদু ফল কমলালেবু, জলপাই, বড়ুই কামরাঙা ইত্যাদি। সূর্যমুখী, ডালিয়া ইত্যাদি ফুলও ফোটে সবমিলিয়ে যেন প্রকৃতি তার রূপের ডানা মেলে উড়তে থাকে। এ সময় আরও রূপ বৈচিত্র্য হয় পিঠাপুলির জন্য বাঙালির জীবনে এ সজীবতার রঙ এতে আরও রঙিন হয়। গ্রামের পরিবেশ এ সময় রসের ঘ্রাণে মাতোয়ারা হয়ে যায়। বিভিন্ন সুস্বাদু পিঠা খেতে দেখা যায়। ভাপা পিঠা, পুলি পিঠা, চিতুই পিঠা, ক্ষীর মিষ্টির সমারোহ দেখা যায়। শীতের শিক্ষা বিরতির অবসরে মানুষ গ্রামে এসে পিঠা উৎসবে অংশ নেয়। হাসি খুশি দিন পার করে আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে। তবে শীতকাল সবসময় মানুষের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে না।যখন তাপমাত্রা নিচে নেমে যায়,জনজীবনে আসে অসহ্য যন্ত্রণা বাচ্চা বৃদ্ধরা গৃহহীন মানুষেরা এসময় বেশি suffer করে। শীতের নিষ্ঠুর রাত যেন তাদের জন্য নিয়ে আসে বিড়ম্বনা ও কষ্টের সাগরের মতো উত্তাল ঢেউ। তবে
এত কিছুর পরও এ ঋতু মানুষের মনে অনেক শান্তির পরশের ছোয়া নিয়ে আসে।
যখন, ভোরের সূর্য ঘন কুয়াশার চাদর পরে অলসতা কাটিয়ে উঠে। তখন কুয়াশার কণায় সূর্যের আলোক রশ্মি পড়ে রঙিন আলোয় সৃষ্ট ঝলমলে আলো দেখে কবি বলেছেন "I seen the face of the Bangla. " Than, I couldn’t want to find world charm.বাংলার প্রকৃতিতে কবি এতটাই মজেছেন তিনি আর বিশ্বের বুকে বিভোর হয়ে তার সৌন্দর্য খুঁজতে চান না। বাংলার প্রকৃতি যেন বিধাতার আপন হাতে সৃষ্টি। অপরুপ রূপ এর মাধুর্য সত্যি মনোরম।।।।
Comments
Post a Comment